২০০১ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১.৫৯%।
বাংলাদেশের মৃত্যুহার হ্রাসের দুটি কারণ হলো উন্নত চিকিৎসা সেবার উন্নতি এবং খাদ্যের পুষ্টিমান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি।
উদ্দীপকের সারণি অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১৯৭৪ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেয়েছে। ১৯৭৪ সালে ২.৪৮% থেকে কমে ২০২২ সালে ১.২২% এ দাঁড়িয়েছে। এই প্রবণতা নির্দেশ করে যে, দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে এবং জন্মহার নিয়ন্ত্রণে সরকার ও জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
১৯৯১ সালের পর থেকে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ক্রমশ হ্রাস পাওয়ার কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে শিক্ষার হার বৃদ্ধি, বিশেষ করে নারী শিক্ষার প্রসার, উন্নত চিকিৎসা সেবার উন্নতি, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি, খাদ্যের পুষ্টিমান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন। এর প্রভাবে বাল্যবিবাহ কমেছে এবং ছোটো পরিবার গঠনে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। এই হ্রাসের প্রভাব ইতিবাচক। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমায় দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের উপর চাপ কমছে, মৌলিক চাহিদা পূরণে সুবিধা হচ্ছে এবং সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান ইত্যাদি খাতে উন্নত সেবা দিতে পারছে। কর্মক্ষম জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তরের সুযোগ তৈরি হচ্ছে, যা দেশের সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 7: বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিচিতি › Topic: বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ, প্রভাব ও সমাধান পদক্ষেপ
Aligned to the NCTB national curriculum.