জাতিসংঘ ১৯৪৮ সালে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র প্রকাশ করে।
প্রবীণদের স্বাধীনতা সংশ্লিষ্ট দুটি অধিকার হলো: পর্যাপ্ত খাদ্য, পানীয়, আশ্রয়, পরিধানের বস্ত্র ও স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার এবং কাজ করার অথবা অন্য কোনোভাবে আয়-উপার্জন করার অধিকার।
রোকেয়া বেগম মূলত অর্থনৈতিক, শারীরিক ও মনস্তাত্ত্বিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। স্বামীর মৃত্যুর পর আর্থিক সংকটে পড়া তার অর্থনৈতিক সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। অসুস্থ হলেও চিকিৎসা নিতে না পারা শারীরিক সমস্যার অংশ। আর পুত্র সন্তান বিদেশে থাকায় একাকীত্বে ভোগা তার মনস্তাত্ত্বিক সমস্যার প্রকাশ।
রোকেয়া বেগমের মতো প্রবীণদের কল্যাণে সরকারি ও বেসরকারি কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সরকারিভাবে 'বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম' রোকেয়া বেগমের মতো দরিদ্র ও অসহায় প্রবীণদের আর্থিক সহায়তা দিতে পারে। এছাড়াও 'বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের ভাতা প্রদান কার্যক্রম' তার জন্য সহায়ক হতে পারে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন 'প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরাবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান' স্বাস্থ্যসেবা দান, পুনর্বাসন ও চিত্তবিনোদনে ভূমিকা রাখতে পারে, যা রোকেয়া বেগমের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা লাঘবে সাহায্য করবে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রবীণদের জীবনমান উন্নত করা সম্ভব।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার › Topic: নারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি
Aligned to the NCTB national curriculum.