বাংলাদেশের সংবিধানেও প্রবীণদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির কথা বলা হয়েছে।
প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরাবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান প্রবীণদের কল্যাণে স্বাস্থ্যসেবা দান, পুনর্বাসন, চিত্তবিনোদন, ধর্মীয় অনুষ্ঠান উদযাপন প্রভৃতি ভূমিকা রাখে। এছাড়াও এ প্রতিষ্ঠান প্রবীণদের জন্য পাঠাগার স্থাপন করেছে।
বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কল্যাণ সমিতি মাজেদ সাহেবের অর্থনৈতিক এবং স্বাস্থ্যগত সমস্যা সমাধানে সহায়তা করছে। এই সমিতি প্রবীণদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা অনুদানসহ বিনা সুদে ঋণ প্রদান করে থাকে। মাজেদ সাহেব যেহেতু অবসরপ্রাপ্ত, তার অর্থনৈতিক চাহিদা পূরণ এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এই সমিতির কার্যক্রম অত্যন্ত সহায়ক।
প্রবীণদের কল্যাণে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা আরও বাড়াতে কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। সরকার ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধি করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো যেতে পারে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রবীণদের জন্য আরও বেশি পুনর্বাসন কেন্দ্র, চিত্তবিনোদন কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন করতে উৎসাহিত করা উচিত। এছাড়াও, এই প্রতিষ্ঠানগুলো প্রবীণদের জন্য বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে, যাতে তারা নিজেদেরকে সমাজের সক্রিয় সদস্য হিসেবে অনুভব করতে পারে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি করে আরও বেশি মানুষকে বেসরকারি কল্যাণমূলক কার্যক্রমে যুক্ত করা যেতে পারে।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার › Topic: প্রবীণ অধিকারের ধারণা ও প্রবীণদের অধিকারসমূহ
Aligned to the NCTB national curriculum.