বাংলাদেশে সরকারি চাকরি থেকে অবসরের বয়স ৫৯ বছর।
প্রবীণদের শারীরিক শক্তি কমে আসায় নানা রোগব্যাধি শরীরে বাসা বাঁধে। এ সময় তাদের বিশ্রাম ও আরামের প্রয়োজন হয়। অসুস্থ অবস্থায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা ও ঔষধপথ্য কেনার সামর্থ্য না থাকায় তাদের দুর্দশা বাড়ে।
মিসেস রত্নার অবসরের পর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে সরকারি অবসর ভাতা কার্যক্রম তাকে সহায়তা করতে পারে। তিনি একজন সরকারি চাকরিজীবী হওয়ায় অবসর গ্রহণ করলে বিধি মোতাবেক যে ভাতা পাবেন, তা তার অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। যেহেতু তার স্বামী বা সন্তান নেই এবং সঞ্চয়ও কম, এই অবসর ভাতা তার দৈনন্দিন খরচ ও জীবনযাপন নির্বাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।
মিসেস রত্নার মতো প্রবীণদের জন্য বেসরকারি উদ্যোগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও তিনি অবসর ভাতা পাবেন, তার নিঃসঙ্গতা এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য শারীরিক অসুস্থতা মোকাবিলায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সাহায্য করতে পারে। প্রবীণ হিতৈষী সংঘ ও জরাবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যসেবা দান, পুনর্বাসন, চিত্তবিনোদন ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান উদযাপনসহ পাঠাগার স্থাপন করে প্রবীণদের কল্যাণে কাজ করে। বাংলাদেশ মহিলা স্বাস্থ্য সংঘ, রোটারি ক্লাব, মা ও শিশু নিবাস, বৃদ্ধ নিবাস, ঝরাপাতা প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানও প্রবীণদের বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান করে। এই বেসরকারি উদ্যোগগুলো মিসেস রত্নার সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারে, যা কেবল আর্থিক সহায়তার চেয়েও বেশি কিছু।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার › Topic: নারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি
Aligned to the NCTB national curriculum.