জাতিসংঘ ১৯৪৮ সালে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র প্রকাশ করে।
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ প্রবীণদের অধিকার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক প্রণীত হয়েছে। এই আইনে প্রত্যেক সন্তানকে পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে এবং পিতার অবর্তমানে দাদা-দাদীকে এবং মাতার অবর্তমানে নানা-নানী-কে ভরণ-পোষণের বাধ্যবাধকতার কথা বলা হয়েছে।
মজিবুর সাহেব উদ্দীপকে সামাজিক-সাংস্কৃতিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। সামাজিক-সাংস্কৃতিক: তার মতামতকে গুরুত্ব না দেওয়া এবং কেউ তার কথা না শোনা সামাজিক-সাংস্কৃতিক অবক্ষয়ের ফল। মনস্তাত্ত্বিক: নিঃসঙ্গতা ও সঙ্গ দেওয়ার লোকের অভাব তাকে অবহেলিত ও অসহায় বোধ করাচ্ছে, যা মনস্তাত্ত্বিক সমস্যার সৃষ্টি করে। শারীরিক: অসুস্থ অবস্থায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধার অভাব এবং ঔষধ কেনার সামর্থ্য না থাকা তার শারীরিক সমস্যার ইঙ্গিত দেয়।
মজিবুর সাহেবের এই সমস্যাগুলো নিরসনে তার সন্তানদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা উচিত। পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ অনুযায়ী সন্তানদের তাদের পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। তাদের উচিত নিয়মিতভাবে বাবার সাথে যোগাযোগ রাখা, সঙ্গ দেওয়া এবং তার মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া। অর্থনৈতিকভাবে বাবার ঔষধপত্র ও চিকিৎসার খরচ বহন করা এবং প্রয়োজনে তাকে উন্নত পরিবেশে নিয়ে আসা উচিত। এতে মজিবুর সাহেবের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সমস্যার সমাধান হবে এবং তিনি সম্মানজনক জীবনযাপন করতে পারবেন, যা মানবিক ও আইনগত উভয় দিক থেকেই অপরিহার্য।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার › Topic: নারী অধিকারের ধারণা এবং বাংলাদেশের সমাজে নারীর অবস্থান ও অধিকার পরিস্থিতি
Aligned to the NCTB national curriculum.