ষাটোর্ধ্ব বয়সের পর মানুষ দৈনন্দিন জীবিকা উপার্জনের কাজ থেকে অবসর নেয়।
এই অধিকারটি বোঝায় যে প্রবীণদের শেষ জীবন পর্যন্ত তাদের পরিবারের সাথে তাদের নিজেদের বাড়িতে থাকার সুযোগ থাকা উচিত, যাতে তারা নিঃসঙ্গতা বা অযত্নের শিকার না হন এবং পারিবারিক পরিবেশে মানসিক শান্তি ও নিরাপত্তা ভোগ করতে পারেন।
জনাব হাবিব সাহেব প্রবীণদের স্বাধীনতা সংশ্লিষ্ট 'যথাযোগ্য শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণের অধিকার' ভোগ করতে আগ্রহী। তার অবসরকালীন সময়ে নতুন কিছু শেখার আগ্রহ এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের ইচ্ছা এই অধিকারের প্রতিফলন। এটি প্রবীণদের মানসিক বিকাশ ও সক্রিয় জীবনযাপনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
জনাব হাবিব সাহেবের মতো প্রবীণদের জন্য শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করতে কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে প্রবীণদের জন্য বিভিন্ন বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা যেতে পারে। এই কেন্দ্রগুলোতে কম্পিউটার শিক্ষা, ভাষা শিক্ষা, হস্তশিল্প বা অন্য কোনো শখের উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। এছাড়াও, বিভিন্ন পাঠাগার ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন করা যেতে পারে যেখানে প্রবীণরা জ্ঞান অর্জন ও বিনোদনের সুযোগ পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলো তাদের সান্ধ্যকালীন কোর্সে প্রবীণদের জন্য বিশেষ ছাড় বা আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারে। এর ফলে প্রবীণরা তাদের অবসর জীবনকে আরও অর্থপূর্ণ করতে পারবেন এবং সমাজের প্রতি অবদান রাখতে পারবেন।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার › Topic: বাংলাদেশে প্রবীণদের জন্য কল্যাণমূলক কার্যক্রম (বেসরকারি ও সরকারি)
Aligned to the NCTB national curriculum.