নারী অধিকার হলো নারীর জন্য প্রদত্ত সেই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা, যা রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত।
বাংলাদেশের সংবিধানে নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য দূর করার কথা বলা হয়েছে এবং নারী-পুরুষের সমানাধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
হাফিজা অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। তিনি একই নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করে পুরুষ শ্রমিকদের চেয়ে কম মজুরি পাচ্ছেন (৬০০ টাকা বনাম ৮০০ টাকা)। সরকারি চাকরি লাভে নারী-পুরুষের অধিকার সমান এবং এক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য করা যাবে না বলা হলেও, বাস্তব জীবনে নারীরা অনেক ক্ষেত্রেই এসব অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়, যা হাফিজার ঘটনায় স্পষ্ট।
হাফিজার মতো নারীদের অধিকার আদায়ে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে। প্রথমত, তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। দ্বিতীয়ত, নারী নির্যাতন ও কর্মস্থলে বৈষম্য রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, সরকার কর্তৃক উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের বিনা বেতনে লেখাপড়ার সুযোগ ও উপবৃত্তির ব্যবস্থা, সন্তানের পরিচয় নির্ধারণে মায়ের নাম বাধ্যতামূলক করা, কর্মস্থলে নারীর মাতৃত্বকালীন ছুটির সময় বাড়ানো ইত্যাদি পদক্ষেপের সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও, বিভিন্ন সভা-সমিতি-সংগঠন ও আন্দোলনে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং সমাজে শিক্ষার বিস্তার ও সচেতনতা সৃষ্টি করা জরুরি, যাতে নারী-পুরুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার › Topic: বাংলাদেশে প্রবীণদের জন্য কল্যাণমূলক কার্যক্রম (বেসরকারি ও সরকারি)
Aligned to the NCTB national curriculum.