কর্মস্থলে নারীর মাতৃত্বকালীন ছুটির সময় ৬ মাস করা হয়েছে।
নারী অধিকারের গুরুত্ব সম্পর্কে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট বলেছেন, 'আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদেরকে একটি সভ্য, শিক্ষিত জাতি উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিবো।'
মিসেস ফাহিমা যে সুবিধা ভোগ করেছেন, তা নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারের 'কর্মস্থলে নারীর মাতৃত্বকালীন ছুটির সময় বাড়িয়ে ৬ মাস করা হয়েছে' শীর্ষক পদক্ষেপের অংশ।
মাতৃত্বকালীন ছুটি নারীর কর্মজীবনে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রথমত, এটি নারীকে তার সন্তানকে পর্যাপ্ত সময় ও যত্ন দেওয়ার সুযোগ দেয়, যা শিশুর সুস্থ বিকাশের জন্য অপরিহার্য। দ্বিতীয়ত, এটি নারীর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে। তৃতীয়ত, এই ছুটি নারীকে কর্মজীবন ও পারিবারিক জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, ফলে তারা কর্মস্থলে আরও বেশি মনোযোগী ও উৎপাদনশীল হতে পারে। চতুর্থত, এটি কর্মজীবী মায়েদের কর্মস্থলে ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং তাদের কর্মজীবনে স্থিতিশীলতা আনে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে।
Class 7 › বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় › Chapter 9: বাংলাদেশে প্রবীণ ব্যক্তি ও নারীর অধিকার › Topic: বাংলাদেশে প্রবীণদের জন্য কল্যাণমূলক কার্যক্রম (বেসরকারি ও সরকারি)
Aligned to the NCTB national curriculum.