Chemistry · SSC (Class 9-10)
শিক্ষক ক্লাসে রাসায়নিক বন্ধন সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। তিনি বললেন, পরমাণুসমূহ নিষ্ক্রিয় গ্যাসের স্থিতিশীল ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জনের জন্য ইলেকট্রন গ্রহণ, বর্জন বা ভাগাভাগি করে। এর ফলে তাদের মধ্যে এক ধরনের আকর্ষণ বলের সৃষ্টি হয়, যা রাসায়নিক বন্ধন নামে পরিচিত। তিনি উদাহরণ হিসেবে Cl2\text{Cl}_{2}Cl2 এবং Ca2+\text{Ca}^{2+}Ca2+ এর গঠন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করলেন।
মিথেন (CH4\text{CH}_{4}CH4) এবং প্রোপেন (C3H8\text{C}_{3}\text{H}_{8}C3H8) দুটি হাইড্রোকার্বন। এদের রাসায়নিক সংকেত থেকে এদের আণবিক এবং গাঠনিক সংকেত সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। মিথেন অণুতে কার্বনের সর্বশেষ শক্তিস্তরে 8টি ইলেকট্রন বিদ্যমান এবং প্রোপেন অণুতে কার্বন পরমাণুগুলো একে অপরের সাথে শিকল আকারে যুক্ত থাকে।
একটি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় 'X' নামক একটি মৌল 'Y' নামক আরেকটি মৌলের সাথে যুক্ত হয়ে 'Z' যৌগ তৈরি করে। 'X' মৌলটি তার সর্বশেষ শক্তিস্তর থেকে ইলেকট্রন ত্যাগ করে ক্যাটায়ন গঠন করে এবং 'Y' মৌলটি সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে অ্যানায়ন গঠন করে। 'Z' যৌগের একটি অণুতে 'X' এবং 'Y' এর পরমাণুগুলো স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ বল দ্বারা যুক্ত থাকে।
রাসায়নিক ল্যাবে দুটি ভিন্ন ধরনের যৌগ পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রথম যৌগটি, A, একটি ধাতু এবং একটি অধাতুর মধ্যে গঠিত হয়েছে। এটি কঠিন অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে না কিন্তু গলিত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে। দ্বিতীয় যৌগটি, B, দুটি অধাতুর মধ্যে গঠিত হয়েছে। এটি কঠিন বা গলিত কোনো অবস্থাতেই বিদ্যুৎ পরিবহন করে না।
শিক্ষক ক্লাসে রাসায়নিক সংকেত লেখার নিয়মাবলী শেখাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, সংকেত লেখার সময় কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়, যেমন - দুটি মৌলের যোজনী কোনো সাধারণ সংখ্যা দিয়ে বিভাজ্য হলে যোজনীগুলোকে সেই সাধারণ সংখ্যা দিয়ে ভাগ দিয়ে মৌলের পাশে ভাগফলটি লিখতে হয়। তিনি কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2\text{CO}_{2}CO2) এবং ফেরাস সালফেট (FeSO4\text{FeSO}_{4}FeSO4) এর উদাহরণ দিলেন।